বহুল প্রত্যাশিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচন বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ঘোষণায় ছাত্র ও সংগঠনগুলোর মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ ও প্রত্যাশার সৃষ্টি হয়েছে। আগামী বছরের জানুয়ারির শেষে বা ফেব্রুয়ারির শুরুতে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এই নির্বাচনকে ক্যাম্পাস জীবনে গণতান্ত্রিক কাঠামো ফিরিয়ে আনার একটি সুযোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে। খবর ইউএনবির।
সভাপতি হিসেবে উপাচার্যের ভূমিকা ও বাজেট বরাদ্দে স্বচ্ছতা নিয়ে আলোচনাসহ ডাকসুর গঠনতন্ত্র সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন মজুমদার। তিনি বলেন, ‘আমরা আশা করি, ডাকসুর কার্যক্রম কার্যকর করতে প্রশাসন সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে সম্পৃক্ত করবে।’ নির্বাচনী সুষ্ঠুতা নিয়ে উদ্বেগের কথা উল্লেখ করে তিনি আবাসিক হলগুলোতে অনিয়ম রোধে ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান।
এই ঘোষণাটি ক্যাম্পাসকে নির্বাচনী হাওয়ায় ভাসিয়েছে, শিক্ষার্থী এবং সংগঠনগুলো একটি সম্ভাব্য পরিবর্তনমূলক নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে। অনেকে মনে করছেন, ডাকসু নির্বাচন একটি সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ নির্বাচন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজনৈতিক গতি-প্রকৃতিকে বদলে দিতে পারে। বৃহত্তর অন্তর্ভুক্তি ও গণতান্ত্রিক সম্পৃক্ততাকে উৎসাহিত করতে পারে বলেও মনে করছেন তারা।
নির্বাচনকে ঘিরে আগামীর পথচলা চ্যালেঞ্জিং। শিক্ষার্থীদের আশা-আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করা, ডাকসুর গঠনতন্ত্র সংক্রান্ত অভিযোগ নিষ্পত্তি ও নির্বাচনে কারচুপি প্রতিরোধ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন যখন নির্বাচনের সময়সীমা চূড়ান্ত করার প্রস্তুতি নিচ্ছে, তখন প্রত্যাশা স্পষ্ট। শিক্ষার্থীরা আশা করে, দীর্ঘদিনের এই নির্বাচন শুধু তাদের গণতান্ত্রিক অধিকারই পূরণ করবে না, সারা দেশে ইতিবাচক পরিবর্তনের নজির স্থাপন করবে।





