গোলাম সারওয়ার সজল :
বাংলাদেশ শিশু কল্যাণ পরিষদে আয়োজিত আন্তর্জাতিক কবি ও সাহিত্যিক গুণীজন সংবর্ধনা ও অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠানে ‘কবি ফররুখ স্মৃতি সম্মাননা’ অর্জন করেছেন উদীয়মান তরুণ কবি ফাহমিদা হৃদী। অল্প বয়সে এই সম্মাননা অর্জনের মধ্য দিয়ে তাঁর সাহিত্যপ্রতিভা ও নিরলস সাহিত্যচর্চার একটি গুরুত্বপূর্ণ স্বীকৃতি মিলেছে।
এই অর্জনে পরিবার, স্বজন, শুভাকাঙ্ক্ষী ও সাহিত্যপ্রেমীদের মধ্যে আনন্দের আবহ বিরাজ করছে। বিশেষ করে কন্যার এমন সাফল্যে আবেগাপ্লুত হয়েছেন তাঁর মা।
প্রতিক্রিয়ায় তিনি বলেন, “আলহামদুলিল্লাহ! আজ আমার আদরের বড় কন্যা ফাহমিদা হৃদীর জন্য অনেক আনন্দের ও গর্বের দিন। বাংলাদেশ শিশু কল্যাণ পরিষদে আয়োজিত আন্তর্জাতিক কবি ও সাহিত্যিক গুণীজন সংবর্ধনা ও অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠানে ‘কবি ফররুখ স্মৃতি সম্মাননা’ অর্জন করেছে সে। ওর এই সৃজনশীল পথচলা এবং পরিশ্রমের স্বীকৃতিতে আমি অত্যন্ত আনন্দিত। ছোটবেলা থেকেই সাহিত্যের প্রতি ওর গভীর অনুরাগ ছিল। আজ সেই ভালোবাসা ও অধ্যবসায় ওকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যাচ্ছে। মহান আল্লাহ তাআলার কাছে দোয়া করি, তিনি যেন ওর মেধা, সৃজনশীলতা ও সাহিত্যসাধনাকে কবুল করেন এবং ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে সাফল্যের শিখরে পৌঁছে দেন।”
তিনি আরও বলেন, “হৃদীর জন্য রইল অগণিত দোয়া ও ভালোবাসা। সাহিত্যচর্চার এই পথচলা ওর জন্য আরও সুন্দর, সমৃদ্ধ ও আলোকিত হোক—এই কামনাই করি। মা হিসেবে তোমার এই সাফল্যে আমি সত্যিই গর্বিত। এগিয়ে যাও বহুদূর, আমার প্রিয় মা।”
ফাহমিদা হৃদী ইতোমধ্যে সাহিত্যাঙ্গনে নিজের স্বতন্ত্র পরিচয় গড়ে তুলেছেন। তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘জবার রঙে লেখা স্বপ্ন’ পাঠকমহলে প্রশংসিত হয়েছে। এরপর প্রকাশিত দ্বিতীয় গ্রন্থ ‘অবেলার মায়াফুল’-ও পাঠকদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।
সাহিত্যসংশ্লিষ্টদের মতে, অল্প বয়সে সম্মাননা অর্জন এবং ধারাবাহিকভাবে সাহিত্যচর্চা তরুণ প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার দৃষ্টান্ত। ভবিষ্যতেও ফাহমিদা হৃদী তাঁর লেখনী দিয়ে বাংলা সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করবেন—এমন প্রত্যাশা সকলের।





